Close

পেশোয়ার হামলায় নিহত বেড়ে ৪৪, পাক তালেবানের দায় স্বীকার

পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর পেশোয়ারে একটি মসজিদে আত্মঘাতী বোমা হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪৪ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ১৫০ জনের বেশি। এদিকে এ হামলার দায় স্বীকার করেছে তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি)।  

পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর পেশোয়ারে একটি মসজিদে আত্মঘাতী বোমা হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪৪ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ১৫০ জনের বেশি। এদিকে এ হামলার দায় স্বীকার করেছে তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি)।  

দেশটির জিও নিউজ জানায়, সোমবার (৩০ জানুয়ারি) ওই মসজিদে বিপুল সংখ্যক মানুষ নামাজের জন্য জড়ো হওয়ার পর সেখানে বিস্ফোরণটি ঘটে। 

পেশোয়ারের লেডি রিডিং হাসপাতালের মুখপাত্র মোহাম্মদ আসিম হতাহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আহতদের মধ্যে অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলেও জানান তিনি।

এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। এটিকে সন্ত্রাসী হামলা আখ্যা দিয়ে এক বিবৃতিতে তিনি বলেছেন, যারা এ ঘটনার পেছনে রয়েছে, ইসলামের সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই। 

এসময় নিহতদের পরিবারের প্রতি শোক প্রকাশ করে তিনি বলেন, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে পুরো জাতি এখন ঐক্যবদ্ধ।

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানও টুইটারে এ হামলার নিন্দা জানিয়েছেন।

এক টুইটবার্তায় তিনি বলেছেন, পেশোয়ারের পুলিশ লাইন মসজিদে নামাজের সময় সন্ত্রাসী আত্মঘাতী হামলার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। সন্ত্রাসবাদের ক্রমবর্ধমান হুমকি মোকাবেলায় আমাদের গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের উন্নতি করা এবং আমাদের পুলিশ বাহিনীকে যথাযথভাবে সজ্জিত করা অপরিহার্য। 

এদিকে পুলিশ কর্মকর্তা সিকান্দার খান জানান, মসজিদ ভবনটির ছাদের একটি অংশ ধসে পড়েছে এবং বেশ কয়েকজন এর নিচে আটকা পড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এখনও চলছে উদ্ধার কাজ।

পুলিশ কর্মকর্তা মীনা গুল বলেন, বোমা বিস্ফোরণের সময় তিনি মসজিদের ভেতরে ছিলেন। এসময় মসজিদের ভেতরে কমপক্ষে আড়াই শতাধিক মুসল্লি উপস্থিত ছিলেন। 

খাইবার পাখতুনখোয়ার তত্ত্বাবধায়ক মুখ্যমন্ত্রী মুহাম্মদ আজম খান পেশোয়ারের সব হাসপাতালে চিকিৎসাসেবার জরুরি অবস্থা জারি করেছেন। অন্তর্বর্তীকালীন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধারকারী সংস্থাগুলোকে ত্রাণ তৎপরতা দ্রুত করার নির্দেশ দিয়েছেন।

সরকারি সম্প্রচারকারী পিটিভির ফুটেজে দেখা গেছে, পুলিশ এবং বাসিন্দারা ধ্বংসস্তূপ সরাতে কাজ করছেন এবং আহতদের কাঁধে তুলে নিয়ে যাচ্ছেন।

Leave a comment
scroll to top