Close

জামায়াতে ইসলামীর অমর ২১শে ফেব্রুয়ারি, ভাষা শহীদ দিবস উদযাপন কোন পরিবর্তন ইঙ্গিত করে?

জামায়াতে ইসলামীর ও সহযোগী বিরোধী দলের নেতৃত্ব কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গিয়ে অমর ২১ শে ফেব্রুয়ারির ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা জানিয়েছেন, দোয়া করেছেন। কিন্তু কেন হঠাৎ ৭৪ বছর পরে জেগে ওঠা?

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, ২১শে ফেব্রুয়ারি, ঢাকায় ভাষা শহীদদের হঠাৎ ৭৪ বছর পরে শ্রদ্ধা জানাতে এল জামায়াতে ইসলামী। কিন্তু কেন?

ছবি সত্ত্ব: পিআইডি/বাংলাদেশ

ভাষা শুধু মানুষের মধ্যে যোগাযোগের মাধ্যম নয়; তা রাজনৈতিক পরিচয়, স্মৃতি ও ক্ষমতার প্রশ্নকেও ধারণ করে। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, ২১শে ফেব্রুয়ারি, ঢাকায় ভাষা শহীদদের স্মরণে অনুষ্ঠিত সরকারি কর্মসূচিতে সেই বাস্তবতাই নতুনভাবে সামনে আসে।

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন, নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সভাপতি তারেক রহমান জিয়া এবং বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান—সহ ১১ দলীয় জোটের প্রতিনিধিরা—মধ্যরাতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষা আন্দোলনের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

শুধু আনুষ্ঠানিক শ্রদ্ধা জ্ঞাপনেই কর্মসূচি শেষ হয়নি। সরকারি আয়োজন শেষে ডা. রহমান আজিমপুর কবরস্থানে ভাষা শহীদদের কবর জিয়ারত করেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন নবনির্বাচিত কয়েকজন সাংসদ ও দলের শীর্ষ নেতারা।

বাংলাদেশের আধুনিক রাজনৈতিক ইতিহাসে এই দৃশ্য নিঃসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, মওদুদীবাদী আদর্শে প্রতিষ্ঠিত জামায়াতে ইসলামী সাত দশকের বেশি সময় ধরে ভাষা আন্দোলনের স্মারক রাজনীতির সঙ্গে নিজেকে স্পষ্টভাবে সম্পৃক্ত করেনি। স্বাধীনতার পর এবার প্রথমবার শুধু ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন নয়; দলটি সাংগঠনিকভাবে সারা দেশে ভাষা শহীদদের স্মরণে আলোচনা সভা ও কর্মসূচির আয়োজন করেছে। 

ভাষা নিয়ে কিন্তু আদতে জামায়েত ইসলামীর তেমন কোনো মাথাব্যথা নাই। এই ঘটনাবলীর আগে, ইসলামের পবিত্র রমজান মাসের শুরুতে ডা. রহমানের বক্তব্য আপামর বাংলাভাষী দেশের দল পশ্চিমা সামাজিক মাধ্যম এক্স-এ আরবী ভাষায় প্রকাশ করেছিল।

এমনকি ভাষা শহীদ দিবস উপলক্ষে নিজেদের আমিরের বক্তব্যও দলটি ইংরেজি ভাষায় সামাজিক মাধ্যমে ছেড়েছে। 

এই ইংরাজি লেখাটা ১৯ শে ফেব্রুয়ারি যখন জামায়াতে ইসলামী পোস্ট করে, তখনই কিন্তু ডা. রহমান বলেছিলেন “আজকে” আর তিনি এই গোটা ভাষণে তৎকালীন প্রশাসনের বিরুদ্ধে ছাত্র-যুবদের ক্ষোভ বললেন, বললেন সেই প্রশাসনের গুলি চালানোর কথাও, কিন্তু নিজেদের আনুগত্যের কারণেই কোথাও পাকিস্তান নামক রাষ্ট্রটির নাম নিলেন না। কে বা কারা সেদিন প্রতিবাদীদের মারলো, সেই প্রশ্নটি উনি ঢেকে দিলেন। অনেক অন্য প্রশ্নও এমনি ঢাকা পড়েছে।

জামায়াতে ইসলামীর এই অবস্থানগত পরিবর্তনের পেছনে কারণ কী? এটি কি কেবল নির্বাচনী বাস্তবতা, নাকি জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সঙ্গে কৌশলগত সমন্বয়ের ফল? বিশেষত যখন এনসিপির আহ্বায়ক ও সাংসদ নাহিদ ইসলামকে সাম্প্রতিক সময়ে জামায়াত নেতৃত্বের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে দেখা গেছে।

ভাষা শহীদ দিবস উপলক্ষে নাহিদ ইসলাম এক বিবৃতিতে বলেন, “বাংলাদেশে বাংলা ভাষাসহ অন্য যেসব ভাষা রয়েছে, সেগুলোর প্রতি সম্মান প্রদর্শন ও সংরক্ষণ করা আমাদের দায়িত্ব। আমাদের শহীদরা ভাষা ও দেশের জন্য জীবন দিয়েছেন; তাঁদের উত্তরসূরী আমরা।”

কিন্তু প্রশ্ন হলো—একটি দল, যার রাজনৈতিক ইতিহাস ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের প্রশ্নে বিতর্কিত, তা কি কেবল জোটগত চাপেই নিজেদের ঐতিহ্যগত অবস্থান বদলাবে? সমালোচকদের মতে, এনসিপির সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা জামায়াতের ভাবমূর্তি পুনর্গঠনের একটি সুযোগ তৈরি করেছে; তবে আদর্শগত রূপান্তর কতটা ঘটেছে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

এ অবস্থায় ডা. রহমানের সাম্প্রতিক পদক্ষেপকে অনেকেই দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক পুনর্বিন্যাসের অংশ হিসেবে দেখছেন।

নির্বাচনী ধাক্কা, নাকি আন্তর্জাতিক বাস্তবতা?

সাম্প্রতিক নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী প্রত্যাশিত ফল না পেলেও দলটি তার ইতিহাসে সর্বোচ্চ সংসদীয় উপস্থিতি নিশ্চিত করেছে। এই ফলাফল দলটির ভেতরে আত্মসমালোচনা ও পুনর্মূল্যায়নের ক্ষেত্র তৈরি করেছে।

একদিকে জামায়েত ইসলামী সমর্থকদের সামাজিক মাধ্যমে সক্রিয় একাংশ, যাদের পশ্চিমা বিশ্বের অভিবাসী দুই বিতর্কিত ব্যক্তি চালনা করে, নির্বাচনী ফল নিয়ে নানা প্রশ্ন তুলেছেন, কারচুপির অভিযোগ করেছেন; অন্যদিকে ইসলামী দলটির তৃণমূল পর্যায়ে কাজ করা নেতাকর্মীদের একটি অংশ উপলব্ধি করেছেন যে মুক্তিযুদ্ধ ও বাঙালি জাতীয়তাবাদের প্রশ্নে বৃহত্তর জনমতের সঙ্গে দূরত্ব রেখে টেকসই গণভিত্তি তৈরি করা কঠিন।

ফলে স্পষ্ট হয়েছে—শুধু ধর্মীয় আবেগনির্ভর প্রচারণা দিয়ে জাতীয় নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন সম্ভব নয়।

প্রথমত, বাংলাদেশের মুসলিম ভোটারদের একটি বড় অংশ নির্বাচনী রাজনীতিতে ধর্মীয় প্রতিশ্রুতিকে প্রধান মানদণ্ড হিসেবে গ্রহণ করেননি। জামায়েত ইসলামী প্রার্থীদের ভোটের বদলে “বেহেশ্তের টিকিট” দেওয়ার প্রতিশ্রুতি অনেক ইসলামী আলেমকেও অসন্তুষ্ট করেছে।

দ্বিতীয়ত, ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহাসিক অবস্থান নিয়ে দলটির অতীত ভূমিকার প্রশ্ন এখনো জনমনে রয়ে গেছে। আনুষ্ঠানিক আত্মসমালোচনা বা স্পষ্ট রাজনৈতিক ব্যাখ্যার অভাবে সেই সংশয় পুরোপুরি দূর হয়নি। এ ছাড়াও বারবার মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন রাজাকার ও পাকিস্তানি নিপীড়নকে অস্বীকার করায় এবং ডা. রহমান বারবার সেই ভূমিকার প্রশ্নটি এড়িয়ে গিয়ে বাংলাদেশের জনগণের কাছে প্রমাণ করেছেন যে জামায়েত ইসলামী তার অতীতের অপরাধ নিয়ে বিন্দুমাত্র লজ্জিত বা অনুতপ্ত নয়।

এই বাস্তবতা থেকেই জামায়াতে ইসলামী এখন জাতীয় ঐতিহ্য ও প্রতীকের সঙ্গে নিজেদের নতুন করে সংযুক্ত করার প্রচেষ্টা শুরু করেছে। 

এই প্রকল্পটি যেন ঠিক প্রতিবেশী ইন্ডিয়ার শাসক হিন্দুত্ববাদী ভারতীয় জনতা পার্টি ও তার পিতৃ প্রতীম সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (আরএসএস) মতন। অতীতে আরএসএস বা অন্য হিন্দুত্ববাদী শক্তিগুলো ভারতের ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনগুলোর সক্রিয় বিরোধিতা করলেও এখন তারা নিজেদের কর্ম পদ্ধতি পাল্টেছে। ঐতিহাসিক সংশোধনবাদের পদ্ধতি অবলম্বন করে তারা ভারতের ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনগুলোর ঐতিহ্য ও গৌরব কে হিন্দু আখ্যা দিয়ে আত্মসাৎ করার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।

জামায়েত ইসলামী ঘোর ইন্ডিয়া বিরোধিতার জিগির তুললেও আদতে আরএসএস এর দেখানো পথেই মওদুদীকে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে বলে দলটির সমালোচকেরা দাবি করেন।

বর্তমানে দলটি সংসদে প্রধান বিরোধী শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। ফলে ভবিষ্যতে যদি বিএনপির বিকল্প কোনো ডানপন্থী শক্তি আত্মপ্রকাশ করে, জামায়াত তার কেন্দ্রে থাকতে চায়—এমন ধারণা অমূলক নয়।

এই প্রেক্ষাপটে অমর একুশে ফেব্রুয়ারির ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়; এটি প্রতীকী বৈধতা অর্জনের একটি প্রচেষ্টা। একইসঙ্গে সমালোচকরা অভিযোগ করেছেন, দলটি অতীতের বিতর্কিত ব্যক্তিত্বদের নতুন ব্যাখ্যায় উপস্থাপন করার চেষ্টা করছে।

গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক আহ্বায়ক আব্দুল কাদের সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে মন্তব্য করে বলেন, রাজনৈতিক পরিবর্তনের দাবি করা হলেও ইতিহাস পুনর্লিখনের প্রচেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয়। বিশেষ করে গোলাম আযমকে “ভাষা সৈনিক” হিসেবে উপস্থাপনের প্রচেষ্টাকে তিনি “ভিত্তিহীন” বলে আখ্যায়িত করেন।

পশ্চিমা প্রভাব ও ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপট

বাংলাদেশের রাজনীতি কেবল অভ্যন্তরীণ নয়; ভূরাজনৈতিক সমীকরণও এখানে প্রভাব বিস্তার করে। যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিম ইউরোপ বাংলাদেশের রপ্তানি বাজারের প্রধান অংশীদার। গার্মেন্টস শিল্পের ওপর নির্ভরশীল অর্থনীতির জন্য এই সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফলে ক্ষমতাসীন বা বিরোধী—উভয় প্রধান দলই পশ্চিমা শক্তির সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে আগ্রহী থাকে। এটি যেমন জামায়াতে ইসলামীর ক্ষেত্রে বা বিএনপির ক্ষেত্রে সত্য, তেমনি আওয়ামী লীগের ক্ষেত্রেও। 

একইসঙ্গে চীন, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মতো রাষ্ট্রও বাংলাদেশের রাজনৈতিক শক্তিগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে। ফলে ইসলামপন্থী বা জাতীয়তাবাদী দলগুলোর পররাষ্ট্র-অভিমুখ প্রায়ই বাস্তববাদী হিসাব-নিকাশের ওপর নির্ভর করে।

সমালোচকদের মতে, আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা অর্জনের জন্যও জামায়াতে ইসলামী নিজেদের রাজনৈতিক ভাষা ও প্রতীকে পরিবর্তন আনছে। একটি দল যত বেশি “জাতীয়” প্রতীকের সঙ্গে নিজেকে যুক্ত করতে পারবে, তত তার বিজয়ের সুযোগ বাড়বে এবং তত বেশি আন্তর্জাতিক পরিসরে তার গ্রহণযোগ্যতা বাড়তে পারে।

অমর একুশ ভাষা শহীদ দিবস কি জামায়াতে ইসলামীর পুনরুত্থানের সোপান?

ত্রয়োদশ নির্বাচনে বিএনপি ৪৯.৯৭% ভোট পেয়েছে, আর জামায়াত-সমর্থিত জোট পেয়েছে ৩১.৭৬%। এই ব্যবধান সত্ত্বেও রাজনৈতিক বয়ান নির্মাণে জামায়াত সক্রিয় ভূমিকা নিচ্ছে।

এর কারণ, জামায়েত ইসলামী মনে করে বাংলাদেশের নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ভোটারদের একাংশ পলাতক প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আহ্বানে সাড়া দিয়ে নির্বাচন বয়কট করলেও, একটি বড় অংশ রণকৌশল হিসাবে বিএনপিকে ভোট দিয়েছে।

ফলে, ভবিষ্যতে যদি আওয়ামী লীগের উপর থেকে বিএনপি সরকার রাজনৈতিক নিষেধাজ্ঞা শিথিল করে এবং অভিযুক্ত নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার করা হয়, তাহলে ভোটের সমীকরণে পরিবর্তন আসতে পারে। সে ক্ষেত্রে এককভাবে বিএনপি সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নাও পেতে পারে।

এর মধ্যে যদি জামায়েত ইসলামী জাতীয় ঐতিহ্য ও মুক্তিযুদ্ধ-সংক্রান্ত প্রতীককে নিজেদের রাজনৈতিক ভাষ্যে পুনর্নির্মাণ করতে সক্ষম হয়, তবে তাদের ভোটভিত্তি প্রসারিত হতে পারে—বিশেষত বিএনপির অতি-ডানপন্থী ভোটব্যাংকের ভেতরে।

জুলাই সনদ প্রস্তাবিত সাংবিধানিক সংস্কার, উচ্চকক্ষ প্রতিষ্ঠা কিংবা আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বের পদ্ধতি চালু হলে, মধ্যম আকারের দল হিসেবেও জামায়াতে ইসলামী সরকার গঠনের সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও রাজনীতির মূল স্তম্ভগুলো জামায়েত ইসলামী আত্মসাৎ করে ফেললে, দলটির দীর্ঘকালীন রণনৈতিক সুবিধা হবে।

অতএব, অমর একুশে ফেব্রুয়ারিতে জামায়াতের অংশগ্রহণকে কেবল তাৎক্ষণিক আবেগের প্রকাশ হিসেবে দেখলে ভুল হবে। এটি বৃহত্তর রাজনৈতিক পুনর্বিন্যাসের ইঙ্গিতও হতে পারে।

নিজেদের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ফল করার পর জামায়াতে ইসলামী এখন এমন এক পথে হাঁটছে, যেখানে জাতীয় ঐতিহ্যের ভাষ্য পুনর্গঠন করে তারা দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব বিস্তারের ভিত্তি প্রস্তুত করতে চায়। প্রশ্ন রয়ে যায়—এটি কি প্রকৃত রূপান্তর, নাকি কৌশলগত অভিযোজন? 

দুটির মধ্যে পার্থক্য করার কষ্টিপাথর একটাই—অতীতের প্রশ্নে স্পষ্ট ও প্রকাশ্য অবস্থান গ্রহণ। সেটি ছাড়া অমর একুশের শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ রাজনৈতিক সমালোচনার ঊর্ধ্বে উঠতে পারে না। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস বলে, প্রতীকী অন্তর্ভুক্তি আদর্শগত জবাবদিহিতার বিকল্প হয় না। বাংলাদেশের ভবিষ্যত রাজনীতি জামায়েত কে তার উত্তর দেবে।

Leave a comment
scroll to top